কাশিয়ানীতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সাংবাদিক লাঞ্ছনার অভিযোগ
কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:কাশিয়ানী উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নের পরিবর্তে উল্টো ভীতিকর ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার উত্তম কুমার দত্ত—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বারবার অফিসে ডেকে এনে অযাচিত চাপ ও অপেশাদার আচরণ করা হচ্ছে, যা শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশকে ব্যাহত করছে।এরই ধারাবাহিকতায় কাশিয়ানী সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দৈনিক জাতীয় করতোয়া পত্রিকার কাশিয়ানী উপজেলা প্রতিনিধিকে বালিয়াডাঙ্গা ৪১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য আপডেট দেওয়ার কথা বলে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত হলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার উত্তম কুমার দত্ত ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ চঞ্চল শেখ সাংবাদিকের সঙ্গে শিষ্টাচারবহির্ভূত ও অশালীন আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।ঘটনার পর বিষয়টি কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে অবহিত করা হলে তিনি জানান, বর্তমানে তিনি কাশিয়ানী ইউনিয়নের বাইরে অবস্থান করছেন। অফিসে ফিরে এসে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিষয়টি মীমাংসা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে আপাতত উভয় পক্ষকে সংযত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।এ ঘটনায় শিক্ষক সমাজ, সাংবাদিক মহল ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।বিশেষ দ্রষ্টব্য:অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরিকল্পিতভাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসার উত্তম কুমার দত্ত ও সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ চঞ্চল শেখ প্রায় ২৫ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষককে অফিসে ডেকে এনে তাদের উপস্থিতিতে সমন্বিতভাবে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করেন, যা প্রশাসনিক শিষ্টাচার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রযুক্তি সহায়তায়: softhost
Leave a Reply