1. thedailykhaborsabrakom@gmail.com : thedailykhaborsabrakom : thedailykhaborsabrakom
  2. vantagesoftglobal@gmail.com : vantagesoftglobal vantagesoftglobal : vantagesoftglobal vantagesoftglobal
  3. bosseptp@gmail.com : zetgifari :
শিরোনাম
ঝিনাইদহে দাম্পত্য ভাঙনের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা: বাড়ছে সামাজিক উদ্বেগ। ঝিনাইদহে অতিরিক্ত খাজনার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন। কালীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর ৪ বছরের শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার। বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ৪২ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলার ঘোষণা। আলুর দামে ধস: ঘোড়াঘাটে লোকসানের মুখে কৃষক। যশোরে অবৈধ সার কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। যশোরে স্বর্ণের বার সহ পাচারকারী গ্রেফতার। শহীদ সেনা দিবসে বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন। সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়।

আলুর দামে ধস: ঘোড়াঘাটে লোকসানের মুখে কৃষক।

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২০ টাইম ভিউ

আলুর দামে ধস: ঘোড়াঘাটে লোকসানের মুখে দিশেহারা কৃষক

মোফাজ্জল হোসেনঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় আলুর বাজারে ভয়াবহ ধস নেমেছে। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫ টাকা দরে। বাম্পার ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বিনিয়োগ হারানো শঙ্কায় দিন কাটছে স্থানীয় কৃষকদের।মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষে সার, বীজ, সেচ এবং শ্রমিকের মজুরি বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। অথচ বর্তমান বাজার দরে এক বিঘা জমির আলু বিক্রি করে খরচের অর্ধেক টাকাও তোলা সম্ভব হচ্ছে না।কৃষকদের ভাষ্যমতে, বিঘা প্রতি খরচ: ৩০,০০০ টাকা (গড়ে), বর্তমান বাজার দর: ৫ টাকা/কেজি, প্রয়োজনীয় দর: অন্তত ১৫-১৮ টাকা (আসল টাকা তুলতে)উপজেলার একজন প্রান্তিক চাষী জানান, “অনেক আশা নিয়ে আলু আবাদ করেছিলাম। ভেবেছিলাম এবার দেনা শোধ করব। কিন্তু ৫ টাকা কেজি দরে আলু বেচলে শ্রমিকের দামও উঠছে না। এখন আলু মাঠ থেকে তুলব না কি মাঠেই পচতে দেব, তা ভেবে পাচ্ছি না।”আরেকজন কৃষক বলেন, “৩০ হাজার টাকা খরচ করে যদি ৫-৭ হাজার টাকার আলু বিক্রি করতে হয়, তবে আমাদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারে আলুর অতিরিক্ত সরবরাহ এবং পর্যাপ্ত কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগারের অভাব এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। অনেক চাষী বাধ্য হয়ে নামমাত্র মূল্যে আলু বিক্রি করে দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ আলু না তুলে খেতেই রেখে দিচ্ছেন।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারিভাবে আলু ক্রয় অথবা বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে আগামীতে আলু চাষে কৃষকদের টিকিয়ে রাখতে বিশেষ প্রণোদনার দাবিও তুলেছেন স্থানীয় কৃষি সংগঠনগুলো।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
শিরোনাম :

প্রযুক্তি সহায়তায়: softhost