1. thedailykhaborsabrakom@gmail.com : thedailykhaborsabrakom : thedailykhaborsabrakom
  2. vantagesoftglobal@gmail.com : vantagesoftglobal vantagesoftglobal : vantagesoftglobal vantagesoftglobal
শিরোনাম
আশাশুনিতে ঘের লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও যুবদল নেতাকে নিয়ে প্রোপাগান্ডার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে নিজ উঠানে বৃদ্ধের গলাকাটা লাশ উদ্ধার সাতক্ষীরার আম ব্যবসায়ীর ১১ ক্যারেট কাঁচা আম গন্তব্যে না পৌঁছে অন্য জায়গায় বিক্রির অভিযোগ। কাঠালিয়ায় গৃহ কষ্টে ভুগছেন ৪ সন্তানের জননী মুন্নি বেগম। দৈনিক খবর সবরকম কবিরাজির নামে ভয়ংকর প্রতারণা, সাড়ে ২৭ ভরি স্বর্ণ ও ৩০ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ। যশোর শিক্ষাবোর্ডে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন। দৈনিক খবর সবরকম আশাশুনিতে জেলেদের খাদ্য সহায়তা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত। দৈনিক খবর সবরকম কাঠালিয়ার শিবপুরে বিএডিসির সুইচ গেটের নির্মাণ কাজ বন্ধ। ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ জনের কারাদণ্ড। কুড়িগ্রামে ডাংরারহাট আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসায় টাকার বিনিময়ে নিয়োগ বানিজ্য বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন।

আলুর দামে ধস: ঘোড়াঘাটে লোকসানের মুখে কৃষক।

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫১ টাইম ভিউ

আলুর দামে ধস: ঘোড়াঘাটে লোকসানের মুখে দিশেহারা কৃষক

মোফাজ্জল হোসেনঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় আলুর বাজারে ভয়াবহ ধস নেমেছে। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫ টাকা দরে। বাম্পার ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বিনিয়োগ হারানো শঙ্কায় দিন কাটছে স্থানীয় কৃষকদের।মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষে সার, বীজ, সেচ এবং শ্রমিকের মজুরি বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। অথচ বর্তমান বাজার দরে এক বিঘা জমির আলু বিক্রি করে খরচের অর্ধেক টাকাও তোলা সম্ভব হচ্ছে না।কৃষকদের ভাষ্যমতে, বিঘা প্রতি খরচ: ৩০,০০০ টাকা (গড়ে), বর্তমান বাজার দর: ৫ টাকা/কেজি, প্রয়োজনীয় দর: অন্তত ১৫-১৮ টাকা (আসল টাকা তুলতে)উপজেলার একজন প্রান্তিক চাষী জানান, “অনেক আশা নিয়ে আলু আবাদ করেছিলাম। ভেবেছিলাম এবার দেনা শোধ করব। কিন্তু ৫ টাকা কেজি দরে আলু বেচলে শ্রমিকের দামও উঠছে না। এখন আলু মাঠ থেকে তুলব না কি মাঠেই পচতে দেব, তা ভেবে পাচ্ছি না।”আরেকজন কৃষক বলেন, “৩০ হাজার টাকা খরচ করে যদি ৫-৭ হাজার টাকার আলু বিক্রি করতে হয়, তবে আমাদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারে আলুর অতিরিক্ত সরবরাহ এবং পর্যাপ্ত কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগারের অভাব এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। অনেক চাষী বাধ্য হয়ে নামমাত্র মূল্যে আলু বিক্রি করে দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ আলু না তুলে খেতেই রেখে দিচ্ছেন।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারিভাবে আলু ক্রয় অথবা বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে আগামীতে আলু চাষে কৃষকদের টিকিয়ে রাখতে বিশেষ প্রণোদনার দাবিও তুলেছেন স্থানীয় কৃষি সংগঠনগুলো।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
শিরোনাম :

প্রযুক্তি সহায়তায়: starwebhostit.com