যশোরের ইছালী ইউনিয়ন এলাকায় আইনের তোয়াক্কা না করে মাটি কাটার অভিযোগ: ভূমিদস্যু মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক- যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়ন এলাকায় আইনের তোয়াক্কা না করে এলাকার প্রভাব খাটিয়ে দিনের পর দিন অবৈধভাবে এক্সভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে, ভূমিদস্যু মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর বিরুদ্ধে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে এক্সভেটর মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলন করে ট্রাক্টর দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় মাটি সরবরাহ করছেন, ভূমিদস্যু মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাবু।ইছালী ইউনিয়ন এলাকার ভূমিদস্যু মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাবু নামে এক মাটি ব্যাবসায়ী, এক্সভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কেটে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে, মাটির গাড়ির কারণে এলাকার সড়ক এবং পরিবেশের ক্ষতি করছে।এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায় আমাদের এলাকার বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে মাটির গাড়ি সারাদিন যে ভাবে চলাচল করছে যার কারণে গ্রামের এলজিইডির পাকা রাস্তা, গুলোর চরম ক্ষতি হচ্ছে, তারা বলেন যদি বৃষ্টি শুরু হয় তাহলে কোন রাস্তা দিয়ে চলাচল করা সম্ভব হবে না। এলাকাবাসী বলেন কিছু দিন আগে প্রশাসন এসে জরিমানা করেছেন, তার পরেও এদের মাটি কাটা বন্ধ হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ দুপুর ১২ টার দিকে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বলেন অবৈধ ট্রাক্টর গাড়ি দিয়ে সারাদিন মাটি বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে চলাচল করছে। এলাকাবাসী আরো বলেন আমরা কি করব বলুন যারা মাটি বিক্রি করছে তারা এই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি আমরা যদি কিছু বলতে যায়, তাহলে আমাদের পরবর্তীতে সমস্যা হতে পারে তাই এলাকার লোকজন ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারছি না।সাংবাদিকরা মাটি কাটার তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ভূমিদস্যু মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর,এক সহযোগী মোঃ মিলন নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় কথাবার্তা বলেন এবং আমার জায়গায় থেকে আমি মাটি কাটছি আপনাদের কি আপনারা এখানে কি করতে আসছেন, আরো বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলেন সাংবাদিকদের, তিনি বলেন আমি সবাইকে জানিয়ে মাটি কাটছি আপনাদের যা করতে মন চায় করেন কোনো সমস্যা নেই। এর আগেও মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুকে, জরিমানা করেন প্রশাসন এবং তখন তিনি বলেন আমি আর মাটি কাটবো না, কিন্তু আইন অমান্য করে আবার মাটি কাটা শুরু করেছেন।ইছালী ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে মাটি কাটার বিষয়ে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক মাটি কাটার স্থানে পৌঁছানোর পর ভূমিদস্যু মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাবু পালিয়ে যায়, তাকে পাওয়া যায়নি,পরে তার লোকজন কে, আমি বলে আসছি আর মাটি উত্তোলন করতে পারবেন না।ভূমি কর্মকর্তা চলে আসার পর পরই আবার মাটি কাটা শুরু করেন, তিনি বলেন আমি ছবি স্যার কে পাঠিয়ে দিয়েছি যেহেতু মাটি কাটা বন্ধ করে নাই, তাহলে আপনারা স্যারের সাথে বলুন, আপনি ও স্যারকে জানান আমি ও জানিয়ে দিয়েছি সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন আমি এর আগেও অভিযান পরিচালনা করেছি জরিমানা ও করা হয়েছিল তখন মাটি ব্যাবসায়ী বলে ছিল সে আর মাটি কটবে না। আবার যেহেতু মাটি কাটা শুরু করেছেন ঠিক আছে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রযুক্তি সহায়তায়: softhost
Leave a Reply