যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া এলাকায় অবৈধ গুড়ের কারখানায় বুক ফুলিয়ে গুড় তৈরির অভিযোগ: প্রশাসন নীরব কেন?
যশোর জেলা প্রতিনিধি – যশোরের বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ঘোষপাড়া এবং শংকরপুর গ্রামে প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে বুক ফুলিয়ে অবৈধ গুড় কারখানায় তৈরি করছে ভেজাল গুড়, সরবরাহ করছেন বিভিন্ন এলাকায় অভিযোগ পাওয়া গেছে।যশোর জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, শার্শা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা এবং এসিল্যান্টসহ সকলকে একাধিকবার জানানো হয়েছে এবং প্রতিবেদন প্রকাশ করার পরেও ভেজাল গুড়ের কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা জনগণের জন্য দুঃখজনক ঘটনা। এর আগেও অভিযান পরিচালনা করেছিলেন এবং জরিমানা করা হয়েছিল তার পরেও কিভাবে পরবর্তীতে ভেজাল গুড় তৈরি করছে এ বিষয়ে খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকির সম্মুখীন হতে হয়েছে। তার পরেও প্রশাসনের নীরবতার কারণে কারখানার মালিক মোঃ মশিয়ার, মোহাম্মদ আলী এবং মোঃ জাহাঙ্গীর, এলাকার প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে ভেজাল গুড় তৈরি চলমান রেখেছেন।বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, এই প্রতিবেদন জেলার বিভিন্ন দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, এবং একাধিকবার ফোনে কথা বলা হয়েছে, শার্শা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা, শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, এমনকি, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে ও ফোনে জানানো হয়েছে, তিনি বলেছিলেন যে, আমি এখনি ফোন করে বলে দিচ্ছি।এর পরেও সকল কর্মকর্তারা একজন আরেকজনের সাথে এই বিষয়ে কথা বলতে বলেন, জাতীয় সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং দৈনিক দেশ বাংলা নিউজ পত্রিকার সম্পাদক, কর্মকর্তাদের সাথে একাধিকবার ফোনে জানিয়েছেন, অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই পর্যন্ত কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।ভেজাল গুড়ের কারখানার বিষয়ে ভোক্তার সহকারী পরিচালক মোঃ সেলিমুজ্জামান এর সাথে কথা হয়েছে, তিনি বলেন আমার অফিসে লোক কম থাকার কারণে যেতে পারছি না। আপনি শার্শা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা এবং এসিল্যান্ট সাহেবের সাথে কথা বলুন।শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা এবং শার্শা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে ফোন দেওয়া হয়েছিল তবে ফোন রিসিভ করেননি।ভেজাল গুড়ের কারখানার বিরুদ্ধে যতো দিন প্রশাসন ব্যবস্থা না নিবেন ততদিন প্রতিবেদন প্রকাশ করা চলমান থাকবে।
প্রযুক্তি সহায়তায়: softhost
Leave a Reply