1. thedailykhaborsabrakom@gmail.com : thedailykhaborsabrakom : thedailykhaborsabrakom
  2. vantagesoftglobal@gmail.com : vantagesoftglobal vantagesoftglobal : vantagesoftglobal vantagesoftglobal
শিরোনাম
আশাশুনিতে ঘের লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও যুবদল নেতাকে নিয়ে প্রোপাগান্ডার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে নিজ উঠানে বৃদ্ধের গলাকাটা লাশ উদ্ধার সাতক্ষীরার আম ব্যবসায়ীর ১১ ক্যারেট কাঁচা আম গন্তব্যে না পৌঁছে অন্য জায়গায় বিক্রির অভিযোগ। কাঠালিয়ায় গৃহ কষ্টে ভুগছেন ৪ সন্তানের জননী মুন্নি বেগম। দৈনিক খবর সবরকম কবিরাজির নামে ভয়ংকর প্রতারণা, সাড়ে ২৭ ভরি স্বর্ণ ও ৩০ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ। যশোর শিক্ষাবোর্ডে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন। দৈনিক খবর সবরকম আশাশুনিতে জেলেদের খাদ্য সহায়তা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত। দৈনিক খবর সবরকম কাঠালিয়ার শিবপুরে বিএডিসির সুইচ গেটের নির্মাণ কাজ বন্ধ। ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ জনের কারাদণ্ড। কুড়িগ্রামে ডাংরারহাট আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসায় টাকার বিনিময়ে নিয়োগ বানিজ্য বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন।

রাজশাহীতে আলু নিয়ে বিপাকে কৃষক। দৈনিক খবর সবরকম

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৮ টাইম ভিউ

রাজশাহীতে আলু নিয়ে বিপাকে কৃষক

মোঃ: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহীর জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীর তানোরে চলতি মৌসুমে আবারও লোকসানের মুখে পড়েছেন আলু চাষিরা। নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯ টাকা থেকে সাড়ে ৯ টাকায়। এরসঙ্গে প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত ৫ কেজি করে ‘ঢলন’ দিতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকরা। ফলে ফলন ভালো হলেও ন্যায্য দাম না পেয়ে চরম লোকসান গুনছেন তারা।আলু চাষি ফিরোজ কবির জানান, এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করে তুলনামূলক ভালো ফলন পেয়েছেন। প্রতি বিঘায় ৪০ থেকে ৪৫ বস্তা (প্রতি বস্তা ৬০ কেজি) আলু উৎপাদন হয়েছে। প্রতি বস্তা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে প্রতি বিঘায় ২৪ হাজার থেকে ৩১ হাজার টাকা পাওয়া গেলেও খরচ হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা। ফলে বিঘাপ্রতি লোকসান হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা।কুরবান নামের এক চাষি বলেন, আড়াই বিঘা জমিতে আলু চাষ করে বিঘাপ্রতি প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু বিক্রি করে পাওয়া গেছে মাত্র ২৬ থেকে ২৮ হাজার টাকা। তার ভাষায়- ‘বিঘায় ৩২ হাজার টাকা লোকসান হলে পথে বসা ছাড়া উপায় নেই।’কৃষকদের অভিযোগ, ৭০ কেজির বস্তা লোড হলেও ৬৫ কেজির দাম দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি বস্তায় ৫ কেজি করে অতিরিক্ত আলু দিতে হচ্ছে, যা ব্যবসায়ীদের লাভ হিসেবে ধরা হচ্ছে। এতে বিঘাপ্রতি প্রায় ২৫০ কেজি আলু অতিরিক্ত চলে যাচ্ছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২ হাজার ৩৭৫ টাকা।ব্যবসায়ী আইনুল জানান, এসব আলু খুলনায় নিয়ে বিক্রি করা হবে। সেখানে কেজিপ্রতি ১ থেকে ২ টাকা বেশি দাম পাওয়া যেতে পারে। ঢলনের বিষয়ে তিনি বলেন, জমি থেকে কাঁচা আলু কেনা হয়। পরিবহন ও সংরক্ষণের সময় ওজন কমে যায় বলেই অতিরিক্ত নিতে হয়। ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, গতবারের মতো এবারও আলু চাষে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। অনেকেই ঋণ করে জমির পরিমাণ কমিয়ে আবার আলু চাষ করেছেন, কিন্তু এবারও লোকসান গুনতে হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে চাষিরা বলছেন, এখনও পুরোদমে আলু তোলা শুরু হয়নি। প্রায় ৮-১০ দিন আগে রহিমাডাঙ্গা বিলের জমির আলু উঠতে শুরু করে, তখনও বাজারদর ছিল সাড়ে ৯ টাকা কেজি, যা এখনো বহাল আছে। যদিও জমি লিজ ও বীজের দাম কিছুটা কম থাকায় খরচ কিছুটা কমেছে, তবে সার ও কীটনাশকের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে।তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, এবারে উপজেলায় ১২ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ১৫০ হেক্টর জমির আলু ইতোমধ্যে তোলা হয়েছে। হেক্টরপ্রতি গড়ে ২৫ মেট্রিক টন ফলন হচ্ছে। দামের বিষয়ে তিনি বলেন, কৃষি বিভাগ চাষাবাদ ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে কাজ করে; বাজারদর নির্ধারণের বিষয়টি কৃষি বিপণন বিভাগের দায়িত্ব।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
শিরোনাম :

প্রযুক্তি সহায়তায়: starwebhostit.com